অর্থনীতির চাকা শুধু শহর নয়, গ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে গিয়েছে: ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া

Share Now..


স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে স্বাধীন বাঙলার প্রথম বাজেট ৭৮৬ কোটি টাকার আকার বেড়ে এবার বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। বাজেট সম্বন্ধে আমরা যেটা বুঝি সেটা হলো- সম্পদের পুনর্বণ্টন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আয়-ব্যয় বাড়ানোর মতো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। সুতরাং অর্থনীতির আঁকার যেহেতু বেড়েছে বাজেটের আঁকারও বেড়েছে। এবারের বাজেট ঐতিহাসিক বাজেট, ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিয়েছে এই বাজেট। আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে যেমন দেশ স্বাধীন হয়েছিল, ঠিক তেমনি আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে এই ঐতিহাসিক বাজেট দেওয়া হয়েছে।

দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ৩৬৪তম পর্বে মঙ্গলবার আলোচক হিসেবে উপস্থিত হয়ে এসব কথা বলেন- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান, প্রগতিশীল শিক্ষক সংগঠন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (নীলদল) সভাপতি, লাইফ অ্যান্ড আর্থ সাইন্স অনুষদের প্রাক্তন ডিন অধ্যাপক ড. জাকারিয়া মিয়া, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতালের প্রধান উদ্যোক্তা ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া, সাবেক ছাত্রনেতা ও আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জাকির আহাম্মদ। দৈনিক ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভোরের পাতার সিনিয়র রিপোর্টার উৎপল দাস।
ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে স্বাধীন বাঙলার প্রথম বাজেট ৭৮৬ কোটি টাকার আকার বেড়ে এবার বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। বাজেট সম্বন্ধে আমরা যেটা বুঝি সেটা হলো সম্পদের পুনর্বণ্টন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আয়-ব্যয় বাড়ানোর মতো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। সুতরাং অর্থনীতির আঁকার যেহেতু বেড়েছে বাজেটের আঁকারও বেড়েছে। একটা দেশের অর্থনৈতিকভাবে কতটুকু এগিয়ে যাচ্ছে সেটা দেশের উন্নয়নমূলক কাজগুলোকে বিশ্লেষণ করলেই বুঝা যাবে। আমরা যদি ঢাকা-চট্টগ্রাম শহর দেখি সেখানে অসংখ্য রেস্টুরেন্ট গড়ে উঠেছে। এই সব রেস্টুরেন্ট ব্যবসা যদি লস প্রজেক্ট হতো তাহলে এতো রেস্টুরেন্ট গড়ে উঠতো না। এখন অনেকেই বলতে পারে এইগুলো যেহেতু শহর তাহলে এখানেতো এইগুলো গড়ে উঠবেই, কিন্তু আমরা যদি একটু গ্রামের দিকে লক্ষ্য করি তাহলে দেখতে পাবো যে যে রাস্তাগুলোর পাশে আগে দোকানপাট ছিল না, সেখানে এখন রাস্তার দুই পাশে দোকান পাট, ইন্টারনেট কানেকশন এমন কি আকাশের মতো ডিজিটাল টিভি চ্যানেলগুলোও সেখানে চলে। সুতরাং অর্থনীতির চাকা শুধু শহর নয় গ্রাম পর্যন্ত ছড়ে গিয়েছে। মহামারিকালের দ্বিতীয় বাজেটে গ্রামের উন্নয়নে ৪১ হাজার কোটি টাকার বেশি বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল। এই অংক বিদায়ী অর্থবছরের চেয়ে ৭ শতাংশ বেশি। বিদায়ী ২০২০-২১ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন খাতে ৩৮ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। সুতরাং বর্তমান মানুষের যে আচরণ, মানুষের যে বায় করার ক্ষমতা সেটা কিন্তু এখন আমরা বুঝতে পারছি এবং আমরা একটি সমৃদ্ধশালীর দিকে ছুটে যাচ্ছি। একজন রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে রাস্তার পাশে যারা পেঁয়াজু বিক্রি করে তাদের আয়-রোজকারও আগের তুলনায় অনেক বেড়ে গিয়েছে। বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষের অবদান রয়েছে এই বাজেট বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ঠিক তেমনি বাংলাদেশের সফল রাষ্ট্র নায়ক, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে দূরদর্শী ও চিন্তা-চেতনা সেটাও বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধিশালী দেশের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *