আমিরাতের পাল্টা জবাব দেওয়ার অধিকার রয়েছে: যুক্তরাষ্ট্র

Share Now..

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী হামলা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবু ধাবি বিমানবন্দরের কাছে। এর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হামলার নিন্দা জানিয়ে এর পাল্টা জবাব দেওয়ার অধিকার আমিরাতের রয়েছে বলে জানিয়েছে তারা। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবারের (১৭ জানুয়ারি) ওই হামলায় তেলের ট্রাক বিস্ফোরিত হয়ে ৩ জন নিহত হন। পরে আমিরাতের অভ্যন্তরে হামলা চালানোর দাবি করে হুথি। এ ঘটনায় প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে আমিরাতি কর্তৃপক্ষ।

এই ঘটনার পর মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আমিরাতের মাটিতে এবং বেসামরিক স্থাপনায় হুথি মিলিশিয়াদের এই সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানায় যুক্তরাষ্ট্র। এ ধরনের ঘটনা কোনও শাস্তি ব্যতিরেকে ছেড়ে দেওয়া যেতে পারে না। এই সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়া জানানোর অধিকার আমিরাতের রয়েছে।

এদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান বলেছেন, হুথি বিদ্রোহীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে ওয়াশিংটন কাজ করবে।

রিয়াদের নেতৃত্বাধীন যে সামরিক জোট বছরের পর বছর ধরে ইয়েমেনে হামলা চালিয়ে আসছে সংযুক্ত আরব আমিরাতও সেই জোটের সদস্য। এই জোট ইয়েমেনে যে কোনও মূল্যে হুথি বিদ্রোহীদের পরাস্ত করতে চায়।

সৌদি জোটের আক্রমণের পাল্টা জবাব হিসেবে প্রায় নিয়মিতভাবেই সৌদি আরবে ড্রোন হামলা চালায় হুথি। ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর দুইটি বৃহৎ তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালায় তারা। ওই হামলার পর দেশটির তেল উৎপাদন প্রায় অর্ধেকে নেমে আসে।
হুথি বিদ্রোহীরা এ হামলার দায় স্বীকার করলেও এ ঘটনায় তেহরানকে দায়ী করে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব। যুক্তরাষ্ট্রের তরফে স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করে হামলার নেপথ্যে ইরান জড়িত রয়েছে বলে দাবি করা হয়। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে তেহরান। এর আগে পরেও দফায় দফায় হুথি বিদ্রোহীদের হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে সৌদি আরব।

Leave a Reply

Your email address will not be published.