ইয়াস থেকে প্রাণ বাঁচাতে একই স্থানে আশ্রয় নিয়েছে হরিণ, বানর, সাপ, কুমির, মোরগ

Share Now..

ঘূর্ণিঝড় ইয়াস আঘাত আনতে পারে এমন ধারণা জীব জন্তুরা সংকেত পেয়ে থাকে প্রকৃতিগতভাবেই। গত সপ্তাহ থেকে দুবলারচর হিরণ পয়েন্ট পক্ষীর চর সহ বিভিন্ন স্থানে আছরে পড়ছে সাগরের বড় বড় ঢেউয়ের গর্জন। সপ্তাহব্যাপী আবহাওয়া ভাল থাকলেও সুন্দরবনের জীব জানোয়াররা নিজ ইচ্ছায় নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছে।

ঢেউয়ের আঘাতে সুন্দরবনের সরকারি বন বিভাগের অফিসগুলোও পানির নিচে তলিয়ে গেছে। সেই সাথে জীব জন্তুদের খাবার উপযোগী একমাত্র মিষ্টি পানির পুকুরে নোনা পানি প্রবেশ করেছে। এ যখন আবহাওয়ার অবস্থা তখন নিজেদের ঘাত-প্রতিঘাত ভুলে বনের হরিণ, বানর, শুকর, কুমির, বন মোরগ সহ অন্যান্য প্রাণীরা খণ্ড খণ্ড উঁচু মাটিতে একই স্থানে অবস্থান করতে দেখা গেছে।

সুন্দরবনের জেলে পল্লী প্রশাসনিক কর্মকর্তা (এও) মো: তানভীর হাসান ইমরান বলেন পূর্ণিমার জোয়ার আর পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ দুই মিলে আরো শক্তিশালী হয়েছে ইয়াস। হালকা বৃষ্টি তীব্র ঢেউ বাঁধ ভাঙ্গা জোয়ার বনের ভিতর প্রবেশ করেছে মঙ্গলবার সন্ধ্যা হতে। তিনি আরও বলেন, হরিণের বাচ্ছারা মিষ্টি পুকুর পাড়ে আশ্রয় নিয়েছে। তিনি আরও বলেন এখন সাপ, বানর, হরিণ, শুকুর, কুমির মিলে খণ্ড খণ্ড উঁচু জায়গায় একই স্থানে অবস্থান করছে কিন্তু কেউ কাউকে আক্রমণ করছে না।

পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, সার্ভাইভাল অবস্থায় টিকে থাকা জরুরি। তিনি আরও বলেন, দুর্যোগের সময় শুধু মানুষ নয় বন্য প্রাণীরাও অসহায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *