কোহলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে যা বললেন গাঙ্গুলী

Share Now..

বিরাট কোহলিকে ভারতের ওয়ানডে ফরম্যাটের অধিনায়কত্ব থেকে সরানো নিয়ে বিতর্ক এখনো শেষ হয়নি। দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশে উড়াল দেওয়ার আগে তিনিই মূলত ইস্যুটিতে ঘি ঢেলে দিয়ে বিতর্ককে নতুন করে উসকে দিয়েছেন। কারণ, তার অভিযোগের সঙ্গে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইয়ের বক্তব্যের যে কোনো মিল নেই।

গতকাল শুক্রবার (১৭ ডিসেম্বর) এ বিষয়ে বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলীকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। জবাবে তিনি বলেন, ‘এই ইস্যুটিকে আর এগিয়ে নিয়ে না যাই। আমার কিছু বলার নেই।’ তখন এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষে বিরাট কোহলির বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না? জবাবে গাঙ্গুলী বলেন, ‘এটা বিসিসিআইয়ের ব্যাপার এবং তারাই এটা মোকাবিলা করবে।’
এর আগে কোহলিকে ওয়ানডের নেতৃত্ব থেকে সরানোর পরদিন বার্তা সংস্থা এএনআইকে বিসিসিআই সভাপতি বলেছিলেন, ‘এটি এমন একটি সিদ্ধান্ত যা বিসিসিআই ও নির্বাচকরা মিলে নিয়েছে। মূলত, বিসিসিআই বিরাটকে অনুরোধ করেছিল যেন সে টি-টোয়েন্টির অধিনায়কত্ব না ছাড়ে। কিন্তু সে রাজি হয়নি এবং স্বেচ্ছায় নেতৃত্ব ছেড়ে দেয়। এর পরই নির্বাচকরা মনে করেছে, সাদা বলের দুই ফরম্যাটে ভিন্ন অধিনায়ক রাখাটা ঠিক হবে না।

‘সুতরাং এটাই সিদ্ধান্ত হয় যে, বিরাট কোহলি টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাবেন এবং সাদা বলের দুই ফরম্যাটেই নেতৃত্ব দেবেন রোহিত শর্মা। আমি সভাপতি হিসেবে ব্যক্তিগতভাবে এ বিষয়ে বিরাটের সঙ্গে কথা বলেছি। নির্বাচকরাও তার সঙ্গে কথা বলেছেন, যোগ করেন তিনি,’।

যদিও গত ১৫ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলনে বিরাট কোহলি ভিন্ন কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘টেস্ট দল ঘোষণার ঠিক দেড় ঘণ্টা আগে বিসিসিআই থেকে আমাকে কল দেওয়া হয়। প্রধান নির্বাচক আমার সঙ্গে টেস্ট দল নিয়ে আলোচনা করেন। ফোনকল শেষ হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে তিনি আমাকে জানান, পাঁচজন নির্বাচক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে আমাকে আর ওয়ানডের নেতৃত্বে রাখা হবে না। এ বিষয়ে পূর্বে কোনো আলোচনা হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.