খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ বিষয়ে যা বললেন আইনমন্ত্রী

Share Now..

আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য বিদেশ গমন প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘আইন আইনের গতিতে চলবে, জিয়াউর রহমানের গতিতে চলবে না, বিএনপির গতিতে চলবে না। আইনের বইয়ে আইন যেভাবে চলে, সেভাবে চলবে।’

শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে আইনমন্ত্রীর ব্যক্তিগত অর্থায়নে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার আখাউড়া পৌরশহরে অসহায়, দুস্থ ও শীতার্তদের মধ্যে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘মানবিক কারণে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়াকে দণ্ডাদেশ স্থগিত রেখে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এখন বলছে বিদেশে যেতে দিতে হবে, না হলে আন্দোলন। একটা কথা আছে না, দাঁড়াতে দিলে বসতে চায়, বসতে দিলে শুতে চায় আর শুতে দিলে ঘুমাইতে চায়। বিএনপির হয়েছে সেই অবস্থা। মনে রাখবেন, মানবিকতা আন্দোলনের মাধ্যমে কামাই করা যায় না।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের সেদিনের সাড়ে সাত কোটি মানুষের অসংবাদিত নেতা, সমগ্র বাংলাদেশের একমাত্র পরিচিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের ১৭ জনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল। এ সত্য কথাটা জানার পরও খালেদা জিয়া মিথ্যা জন্মদিন সাজিয়ে কেক কাটেন। তারপরও জননেত্রী শেখ হাসিনা বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ হওয়ায় দু’টি শর্তে সাজা স্থগিত রেখে তাকে মুক্তি দেন। একটি হচ্ছে তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না, অন্যটি বাসায় থেকে চিকিৎসা করবেন। কিন্তু আমরা বলিনি তিনি হাসপাতালে যেতে পারবেন না। তিনি তিন বার হাসপাতালে গেছেন। এখন বলছেন বিদেশ যেতে দিতে হবে।’আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশে উন্নয়ন হচ্ছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার বাংলাদেশের মানুষের ভবিষ্যৎ পাল্টে দেবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিববর্ষ এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর প্রাক্কালে ঘোষণা দিয়েছেন যার ঘর নাই, তাকে ঘর বানিয়ে দিবেন। যাদের ঘর নাই, তাদের জমিও লাগবে না। খাস জমি লিখে দিয়ে তাদেরকে ঘর বানিয়ে দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং এটা করে দেওয়া হবে। জননেত্রী শেখ হাসিনা ১ লাখ ৮৩ হাজার টাকার কোটি টাকার প্রণোদনা দিয়েছেন যাতে কেউ চাকরিচ্যুত না হয়, কারও কর্মস্থল যাতে বন্ধ না হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.