চাহিদার বিপরীতে দেশে পর্যাপ্ত সার মজুত রয়েছে: কৃষিমন্ত্রী

Share Now..

চাহিদার বিপরীতে দেশে সব রকমের সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। দেশে ডিসেম্বর মাসে ইউরিয়া সারের চাহিদা ৩ লাখ ১ হাজার ৯০২ মেট্রিক টন, বিপরীতে বর্তমানে মজুত রয়েছে ৮ লাখ ৩২ হাজার মেট্রিক টন, যা প্রয়োজনের চেয়ে ৫ লাখ টনেরও বেশি।

মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সারের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এ তথ্য জানান। এসময় শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমতে, টিএসপির ডিসেম্বর মাসে চাহিদা ১ লাখ ১৪ হাজার টন, বিপরীতে মজুত ১ লাখ ৯২ হাজার টন, ডিএপির চাহিদা ২ লাখ ৮৮ হাজার ৬১২ টন, বিপরীতে মজুত ৫ লাখ ৯৬ হাজার টন এবং এমওপির চাহিদা ১ লাখ ২৯ হাজার ১৮৫ টন, বিপরীতে মজুত রয়েছে ৩ লাখ ১২ হাজার টন। এছাড়া, বিগত বছরের (২০২০ সালের ডিসেম্বর) একই সময়ের তুলনায় সব রকমের সারের বর্তমান মজুত বেশি।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, গুজব ছড়িয়ে, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে যেসব ডিলার, ব্যবসায়ী, দোকানদার বেশি দামে সার বিক্রি করবে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আপাতত ৩০ দিন অব্যাহত ভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। পরে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে প্রয়োজন হলে পুরো বোরো মৌসুমে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, সামনে বোরো মৌসুম, এ সময়ে সারের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমরা সব রকমের আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। বর্তমানে সারের যে মজুত রয়েছে এবং পাইপলাইনে যে সার রয়েছে, সব মিলিয়ে সারের কোন রকম সংকট হবে না, পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, সারের উৎপাদন, আমদানি ও মজুতে কোন সমস্যা নেই, সারের কোন ঘাটতি নেই। কৃষকদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তবে গুজব ও অপপ্রচার ছড়িয়ে সারের দাম বৃদ্ধি করে ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা চলছে। রাজনৈতিকভাবেও বিরোধীরা সুযোগ নিতে পারে। সেজন্য আমরা সার পরিস্থিতি নিয়ে খুব সতর্ক রয়েছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.