মেসি-নেইমারদের শাস্তি দিতে নাইটক্লাবে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি

Share Now..


স্কুল পালিয়ে পাশের মাঠে গিয়ে খেলছেন, দুষ্টুমি করে বেড়াচ্ছেন, এমন সময় পেছন থেকে কান টানলেন কোনো এক শিক্ষক; এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি শহরতলীর কিংবা গ্রামের শৈশবে হরহামেশাই হতে হতো একটা সময়।

সেই পরিস্থিতিটা এবার দেখা দিয়েছে পিএসজিতে। ক্লাবটিতে আবির্ভাব হয়েছে এক ‘রাগি হেডমাস্টারের’, তিনি নাইটক্লাবে ঘুরে ঘুরে পিএসজি খেলোয়াড়দের শাস্তি দিচ্ছেন এখন।

পিএসজিতে শুরু হয়ে গেছে নতুন যুগ। তার অংশ হিসেবে লিওনেল মেসি-নেইমার-কিলিয়ান এমবাপেদের নৈশ জীবনেও চলে এসেছিল বাধা। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছিল, সেই বাধা উপেক্ষা করে পিএসজির যে খেলোয়াড় চলে যাবেন নাইটক্লাবে পার্টি করতে, তাকেই ক্লাব থেকে বের করে দেওয়া হবে।

তেমন কিছু না হলেও বেশ কিছু খেলোয়াড়কে নিষিদ্ধ করেছেন ক্লাবটির নতুন ক্রীড়া পরিচালক লুইস ক্যাম্পোস। চলতি গ্রীষ্মেই এই পদে এসেছেন তিনি। এসেই তিনি মনোযোগ দিয়েছেন ক্লাবের নিয়মানুবর্তিতায়, যেন কোনো খেলোয়াড় অনিয়ম না করেন আর।

তারই অংশ হিসেবে তিনি খেলোয়াড়দের রাতের বেলা পার্টি করে বেড়ানোয় বাঁধ সেধেছিলেন। এবার লেকিপে জানাচ্ছে, সে নিয়মের প্রয়োগের জন্য ইতোমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছেন ক্যাম্পোস। তিনি ব্যক্তিগতভাবে প্যারিসের নাইটক্লাবে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এখন, দেখছেন কোনো খেলোয়াড়কে সেখানে দেখা যায় কি না।

পিএসজিতে কঠোর নিয়ম অবশ্য এটাই শেষ নয়। দলের সবার পারস্পরিক সম্পর্কোন্নয়নের জন্য সবাইকে একসঙ্গে সকাল ও দুপুরের খাবার খাওয়ার নিয়ম বেধে দেওয়া হয়েছে। আছে দেরিতে অনুশীলনে এলে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়ার নিয়মও।

নতুন কোচ ক্রিস্টোফ গালতিয়ের এমন কঠিন নিয়মের পক্ষপাতী। তার আশা, ক্লাবের মাঠের বাইরে যত সমস্যা, তার সমাধান দেবে এই নিয়ম। এখন পর্যন্ত কেউই এই নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করেননি। যদিও ক্যাম্পোস বলেছেন, ‘যারা এই নিয়মের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করবেন, তাদের ক্লাব থেকে বের করে দেওয়া হবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published.