যে কারণে সিলেটে ভূমিকম্পের ঝুঁকি বেশি

Share Now..

‘ডেঞ্জার জোন’ হিসেবে খ্যাত সিলেটের ডাউকি ফল্টে ২০২০ সালের জানুয়ারি এবং এপ্রিল মাসে যে ভূমিকম্প হয়, এর উৎপত্তিস্থল ছিলো সিলেটের উত্তর-পূর্ব গোয়াইনঘাট এলাকায়। আর গত শনি ও রবিবার ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল একই এলাকার সিলেট নগরী ও জৈন্তাপুর এলাকায়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের এই ‘ডেঞ্জার জোন’ সিলেট থেকে মাত্র ২০০ কিলোমিটার দূরে সীমান্তবর্তী ডাউকি ফল্টের (ফল্ট হচ্ছে ভূগর্ভস্থ প্লেটের ফাঁক) অবস্থান। অন্যদিকে, শাহবাজপুর ফল্টও (হবিগঞ্জ-কুমিল্লা এলাকাধীন) সিলেটের কাছাকাছি। যে কারণে সিলেটের জন্য ভূমিকম্পের ঝুঁকি খুবই বেশি।

সিলেটের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘সর্বশেষ সিলেটের শ্রীমঙ্গলে উৎপত্তিস্থল হিসেবে ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই রিখটার স্কেলে ৭.৬ মাত্রার ভূকম্পন হয়।’

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভূমিকম্পন প্রবণ এলাকায় ১শ বছর পর পর বেশি মাত্রার ভূকম্পন হয়ে থাকে। ডাউকি ফল্টে শক্তিশালী ভূমিকম্প হলে সিলেট অঞ্চলে বিপুল ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হতে পারে বলে আশঙ্কা এ আবহাওয়াবিদের।
তিনি জানান, এ অঞ্চলে সাধারণত ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত ও মিয়ানমার বাংলাদেশ সীমান্তে ভূকম্পন হয়ে থাকে। সর্বশেষ ১৯১৮ সালে উৎপত্তিস্থল হিসেবে সিলেট অঞ্চলে ভূকম্পন অনুভূত হয়। ৭.৬ রিখটার স্কেল মাত্রার এ ভূকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিলো বর্তমান মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলায়। প্রায় শতাধিক বছর পর এ বছর দেড় মাসের মধ্যে এই দুইবার সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার মধ্যবর্তী স্থান থেকে ভূকম্পনের উৎপত্তি হয়েছে। আর শনি ও রবিবার কয়েক দফা অনুভূত হলো সিলেট নগরী এলাকায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *