রামগড় স্থলবন্দর চালু হলে ৩ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম থেকে পণ্য যেতে পারবে ভারতে

Share Now..


চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম বলেছেন, রামগড় স্থলবন্দর চালু হলে ৩ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম থেকে পণ্য যেতে পারবে ভারতে।

তিনি বলেন, রামগড় স্থলবন্দর চালু হলে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য আরও প্রসারিত হবে। চট্টগ্রাম থেকে বেনাপোল যেতে অনেক সময় প্রয়োজন হয়। কিন্তু রামগড় স্থলবন্দর চালু হলে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে যেসব পণ্য আমদানি রপ্তানি হয় তা আরো কম সময়ে ও খরচে আমদানি করা সম্ভব হবে। যা অর্থনৈতিক বিবেচনায় সারা দেশের জন্য ইতিবাচক।

মঙ্গলবার (২৩ মে) সকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বিবেচনায় রামগড় স্থলবন্দর বেনাপোলের চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ। মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল, চট্টগ্রাম বন্দর ও মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দরের মত সুফল কাজে লাগাতে রামগড় অধিক ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি বলেন, রামগড় স্থলবন্দরকে কেন্দ্র করে মীরসরাই ও ফটিকছড়িসহ উত্তর চট্টগ্রামে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হয়েছে। বিশেষ করে ফেনী নদীর ওপর নির্মিত বাংলাদেশ ও ভারত মৈত্রী সেতু-১, যা ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সঙ্গে রামগড়কে সংযুক্ত করেছে। স্থলবন্দর চালু হলে রামগড় থেকে ভারতের ওপর দিয়ে সিলেটের মাধবপুর পর্যন্ত নরসিংদী মৌলভীবাজার পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগ স্থাপন করা গেলে বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও সিলেটে যাতায়াতের সুবিধা পাবে চট্টগ্রামবাসী।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বুধবার (২৪ মে) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হতে যাচ্ছে ৩৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে বারৈয়ারহাট হেয়াঁকো রামগড় সড়কের প্রশস্তকরণ ও আধুনিকীকরণের কাজ। যা রামগড় স্থলবন্দরের সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ করবে। এ প্রকল্পে থাকবে ২৪৯ দশমিক ২০ মিটার দৈর্ঘ্যরে ৯টি ব্রিজ ও ১০৮ মিটার দৈর্ঘ্যরে ২৩টি সেতু। যার ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ১০৭ কোটি ১২ লাখ টাকা। এছাড়া সড়ক নির্মিত হলে খাগড়াছড়ি রাঙ্গামাটি থেকে বিভিন্ন পণ্য রাজধানী ঢাকায় পৌঁছাতে আরও সময় কম লাগবে।

এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর থেকে প্রায় ১১২ কিলোমিটার দূরত্বের এই স্থলবন্দর ব্যবহার করে মাত্র তিন ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ট্রান্সশিপমেন্টের পণ্য যেতে পারবে ভারতে। দেশটির উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় ত্রিপুরা রাজ্যসহ মেঘালয়, আসাম, মণিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড এবং অরুণাচলের তথা সেভেন সিস্টার্সের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

One thought on “রামগড় স্থলবন্দর চালু হলে ৩ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম থেকে পণ্য যেতে পারবে ভারতে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *