শৈলকুপায় আ’ লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ২০, বাড়ি ভাংচুর, দুই শতাধিক আটক

Share Now..


শৈলকুপা প্রতিনিধি ঃ

ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার ৬ নং সারুটিয়া ইউনিয়নে নির্বাচনী সহিংসতায় আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে আওয়ামীলীগ প্রার্থী মাহমুদুল হাসান মামুন ও স¦তন্ত্র প্রার্থী জুলফিকার কায়সার টিপুর সমর্থকদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। এতে আ’লীগ প্রার্থীর অন্তত ২৫টি বাড়ি ভাংচুর ও স¦তন্ত্র প্রার্থীর ৭টি মোটর সাইকেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সেইসাথে উভয়পক্ষের ২০ জন আহত হয়েছে। আহতদের শৈলকুপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিকে,আটক করা হয়েছে উভয় পক্ষের দুই শতাধিক ব্যক্তিকে। এঘটনার জন্য দুইজন প্রার্থী একে অপরকে দায়ী করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নের শাহবাড়িয়া গ্রামের গফুর মন্ডলের জানাজা শেষে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা বাড়ি ফিরার পথে কিত্তিনগর নামক স্থানে পৌছালে নৌকার সমর্থকরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে সন্ধ্যা ৭টার দিকে ৮টি মোটর সাইকেল পুড়িয়ে দেয় । এই খবর ছড়িয়ে পড়লে বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকরা একই দিন রাত ৯টার দিকে উক্ত ইউনিয়নের কেশনগর গ্রামের নৌকা প্রতিকের সমর্থকদের বাড়ি-ঘর ভাংচুর , লুটপাট ও আহত করেছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী জুলফিকার কাইসার টিপু বলেন, শাহবাড়িয়া থেকে জানাজা শেষে কিত্তিনগর আবাসন এলাকায় পৌছালে নৌকার সমর্থকরা আমার ও আমার সমর্থকদের উপর হামলা করে ১৫ জনকে আহত করে ও ৮টি মোটর সাইকেল পুড়িয়ে দেয় সেই সাথে ৪টি মোটর সাইকেল নিয়ে চলে যায়। আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে, আমি এর বিচার চাই।
তবে ঘটনার বিষয়টি অস্বীকার করে আওয়ামীলীগ প্রার্থী মাহমুদুল হাসান মামুন বলেন,আমার কোন সমর্থকরা এঘটনার সাথে জড়িত না,বিষয়টি পরিকল্পিত। স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে আমার সমর্থকদের ৫০টি বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। আমি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তি চাই।
এব্যাপারে শৈলকুপা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, এখনো কোন মামলা হয়নি । আমরা ঘটনা সংশ্লিষ্ট এলাকায় অভিযান চালাচ্ছি। অপরাধী যেই হোক কোন ছাড় পাবে না। বর্তমান এলাকা শান্ত আছে ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.