৩৫ বছরের শ্রেষ্ঠ মৎস্য হ্যাচারি ম্যানেজার আশরাফ-উল-ইসলাম

Share Now..

কোটচাঁদপুর সংবাদদাতা

এশিয়া মহাদেশের সর্ব বৃহৎ মৎস্য আহরণ কেন্দ্র ঝিনাইদহ জেলায় মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় বিশেষ অবদান রাখায় জেলার শ্রেষ্ঠ পুরস্কারে ভুষিত হয়েছে কোটচাঁদপুর বলুহর কেন্দ্রীয় মৎস্য হ্যাচারি কমপ্লেক্স। জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে গত রোববার দুপুরে ঝিনাইদহ শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সাবেক মৎস্য ও প্রাণী সম্পদক প্রতিমন্ত্রী আব্দুল হাই এমপির কাছ থেকে এই পুরস্কার গ্রহন করেন হ্যাচারি ম্যানেজার আশরাফ-উল-ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক সেলিম রেজা, জেলা মৎস্য অফিসার ফরহাদুর রেজা, সাবেক উপাধ্যক্ষ এন এম শাহজালাল ও জেলা তথ্য অফিসার আবু বকর সিদ্দিক । নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানান আশরাফ-উল-ইসলাম কোটচাঁদপুর বলুহর কেন্দ্রীয় মৎস্য হ্যাচারি কমপ্লেক্সে যোগদানের পর থেকে পরিবর্তনের ছোঁয়া লাগে। তিনি যোগদানের পর থেকে প্রতি বছর সরকার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জন করেছেন। সরকারী মুল্যে রেনু বিক্রি করে সরকারী কোষাগারে জমা দিয়েছেন। চিন থেকে আমদানীকৃত সিলভার ও গ্রাসকার্প মাছের রেনু চলতি বছর থেকে উৎপাদনের মাধ্যমে চাষিদের মাছে বিক্রি করেছেন। মৎস্যজচাষিরা হ্যাচারি থেকে আশানুরুপ ফলাফল পেয়েছেন। এছাড়া হ্যাচারির মা মাছ সমৃদ্ধ করার জন্য ম্যানেজার নিজে বাংলাদেশ ফিশারিজ রিসার্স ইন্সটিটিউট থেকে হোয়াটি পাঙ্গাস, কাল বাউস ও সুবর্ণ রুই লালন পালন করছেন। তিন বছরে মা মাছ পর্যাপ্ত মজুদ করে বলুহর হ্যাচারিকে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ হ্যাচারিতে পরিণত করেছেন হ্যাচারি ম্যানেজার মোঃ আশরাফ-উল-ইসলাম। বিগত ৩৫ বছরে কর্মরত অন্য কোনো কর্মকর্তা এ কৃতিত্ব অর্জন করতে পারেনি। এই প্রথম সেই কৃতিত্ব অর্জন করেন বর্তমান ম্যানেজার।

Leave a Reply

Your email address will not be published.